ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত তিন শতাধিক জঙ্গিকে হত্যার দাবি মিসরের

বিদেশ ডেস্ক
০৫ আগস্ট ২০১৮, ২০:২৭আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৬
image

মিসরের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে চলা অভিযানে তাদের হাতে তিন শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়েছে। শুধু সিনাই উপত্যকাতেই প্রাণ হারিয়েছে ৫২ জঙ্গি। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটির সেনাবাহিনী পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতায় জঙ্গিবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডিল ইস্ট আই লিখেছে, জঙ্গিবিরোধী অভিযানে মিসরীয় সেনাবাহিনীর প্রায় ৩৫ জন সদস্য নিহত হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত তিন শতাধিক জঙ্গিকে হত্যার দাবি মিসরের

মিসরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার যে বিবৃতি দিয়েছে তাতে তারা উল্লেখ করেছে, সেনাবাহিনীর অভিযানে পশ্চিম সীমান্তে ১৫টি ও দক্ষিণ সীমান্তে ১৭টি অস্ত্রযুক্ত গাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। বিবৃতিতে এল আরিশ শহরে নিহত ১৩ সন্ত্রাসীকে ‘চরম বিপদজনক তাকফিরি’ সম্বোধনের বিষয়ে মিডিল ইস্ট আই লিখেছে, অপর মুসলমানদের ‘অমুসলিম’ আখ্যায়িত করা ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিদের মিসরের সেনাবাহিনী তাকফিরি সম্বোধন করে। এল আরিশের ১৩ জন ছাড়াও উত্তর ও ও মধ্য সিনাইয়ে পরিচালিত অন্যান্য অভিযানে আরও ৩৯ জনকে হত্যার দাবি করেছে মিসরের সেনাবাহিনী।

গত নভেম্বর মাসে মিসরের একটি মসজিদে হামলার প্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি সেনাবাহিনীকে অভিযানে নামার নির্দেশ দিয়েছিলেন। মসজিদে হওয়া হামলাটিতে শতাধিক মুসল্লি প্রাণ হারিয়েছিলেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সূত্রে মিডিল ইস্ট আই জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলা জঙ্গিবিরোধী অভিযানে মিসরীয় সেনাবাহিনীর ৩৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে নির্মূল করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সিসি সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গত মার্চ মাসে তিনি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সিসির সমালোচকরা বলেন, তিনি বিরোধীদের দমনে তৎপর। কিন্তু তার সমর্থকদের দাবি, মিসরকে স্থিতিশীল করতে এমন কড়া পদক্ষেপের দরকার আছে।

/এএমএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম