জাম্বিয়া ও ডিআর কঙ্গোর মধ্য দিয়ে রেলপথে ভারত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের পরিবহন করিডর যুক্ত করতে সম্মত হয়েছে তানজানিয়া ও অ্যাঙ্গোলা। তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান এ কথা জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, অ্যাঙ্গোলার বেনগুয়েলা রেলপথ তানজানিয়া-জাম্বিয়া রেললাইনের সঙ্গে যুক্ত হবে, যা গেছে তানজানিয়ার বন্দর দার এস সালাম পর্যন্ত। এতে আটলান্টিক উপকূলের লোবিতো করিডরের সঙ্গে ভারত মহাসাগর উপকূলের কেন্দ্রীয় করিডর যুক্ত হবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে হাসান উদ্যোগটি কবে নাগাদ শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনও সময়সীমা জানাননি।
২০২৫ সালে চীন জাম্বিয়া ও তানজানিয়ার সঙ্গে ১৪০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি করে। এর মাধ্যমে তাজারা (টিএজেডএআরএ) রেলপথ আধুনিকায়ন করা হবে। ১৯৭০-এর দশকে তামা রফতানি ও জ্বালানি আমদানি সহজ করতে চীনই এ রেলপথে অর্থায়ন করেছিল। এ সপ্তাহে ইতালির নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ওয়েবিল্ড জানিয়েছে, তারা জাম্বিয়া লোবিতো রেল করিডরের একটি অংশ নির্মাণের দরপত্র জিতেছে। অ্যাঙ্গোলা থেকে জাম্বিয়া হয়ে কঙ্গোয় যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সমর্থিত লোবিতো করিডরের পাল্টা শক্তি হিসেবে তাজারাকে ব্যাপকভাবে দেখা হয়।
অ্যাঙ্গোলা তানজানিয়াকে একটি তেল শোধনাগারে বিনিয়োগেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছে। হাসান বলেন, লোবিতো তেল শোধনাগার প্রকল্পে অংশীদারত্বের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে তানজানিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান তানজানিয়া পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন।
কেনিয়ায় নাইজেরীয় ব্যবসায়ী আলিকো ডাঙ্গোটের নির্মাণাধীন শোধনাগারে অংশীদারত্ব নেবে কি না, তা এখনও জানায়নি তানজানিয়া। পূর্ব আফ্রিকার সরকারগুলোকে এতে ৩০ শতাংশ অংশীদারত্বের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রুয়ান্ডা ও কেনিয়া এখন পর্যন্ত শেয়ার কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ ছাড়া তানজানিয়া ও উগান্ডা তানজানিয়ার বন্দর তাঙ্গায় যৌথভাবে আরেকটি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে।
হিমবাহের হ্রদ ফেটে ভুটানে বন্যা, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের ৫ জেলায় রেড অ্যালার্ট