গাজার উদ্দেশে মানবিক ত্রাণবাহী একটি জাহাজ পাঠিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। রবিবার (১০ মার্চ) মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য অস্থায়ী জেটি নির্মাণের অঙ্গীকারের পর এই জাহাজ পাঠানো হলো। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে বলেছে, দ্য জেনারেল ফ্রাঙ্ক এস. বেসন নামের জাহাজটি ভার্জিনিয়ার যৌথ ঘাঁটি ল্যাংলি-ইউসটিস ছেড়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাগর পথে গাজায় মানবিক সরবরাহের ঘোষণা দেওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর জাহাজটি রওনা দিলো।
এতে আরও বলা হয়েছে, লজিস্টিক সহযোগিতার নৌযানটি অস্থায়ী জেটি নির্মাণের সরঞ্জাম বহন করছে।
বৃহস্পতিবার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে গাজায় সাগর পথে ত্রাণ সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছিলেন বাইডেন। জাতিসংঘ গাজায় দুর্ভিক্ষের বিষয়ে সতর্কতা জারির পর তিনি এই ঘোষণা দেন।
গাজায় কোনও বন্দর অবকাঠামো নেই। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সাইপ্রাসকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছিল। সেখানে ইসরায়েলি কর্মকর্তাসহ ত্রাণ পরীক্ষা করে গাজায় পাঠানোর কথা ছিল। এতে করে গাজায় ত্রাণগুলোর নিরাপত্তা পরীক্ষার প্রয়োজন পড়বে না।
গাজার প্রায় ২৩ লাখ মানুষ এখন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। পাঁচ মাস ধরে ইসরায়েলি আগ্রাসনে পুরো উপত্যকা বিধ্বস্ত নগরীতে পরিণত হয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৩১ হাজার ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭২ হাজার ৬৫৪ জন। আপরদিকে, হামাসের হামলায় এক হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
২০০৭ সাল থেকে গাজা ইসরায়েলি নৌবাহিনীর অবরোধে রয়েছে। ওই সময় উপত্যকার শাসনভার নিয়েছিল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি।









