ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক দেশ কানাডার রাজধানীতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দেশটির আইনপ্রণেতাদের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, অজ্ঞাত রাজনীতিকরা গোপনে বিদেশি সরকারের সঙ্গে কাজ করছেন। যার অর্থ হলো, কোনও কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিদেশি গুপ্তচরের ভূমিকা পালন করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ খবর জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহে সর্বদলীয় জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যদিও এতে অনেক তথ্য গোপন করা হয়েছে। এর ফলে কানাডার ২০১৯ ও ২০২১ সালের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে চলমান পৃথক তদন্তেও আলোকপাত করছে।
ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স কমিটি অব পার্লামেন্টারিয়ানের প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনে প্রথমবারের ইঙ্গিত দেওয়া হলো যে, কানাডার পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা হয়ত নির্বাচনি প্রচার ও নেতৃত্বের লড়াইয়ে হস্তক্ষেপকারী বিদেশিদের সহযোগিতা করেছেন।
সোমবার অভিযোগ ওঠার পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। কনজারভেটিভ নেতা পিয়েরে পইলিয়েভরে সরকারকে অভিযোগ ওঠা আইনপ্রণেতাদের নাম প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার পইলিয়েভরে বলেছেন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটি ইঙ্গিত দিয়েছে পার্লামেন্টের সদস্যরা জেনেশুনে বিদেশি শত্রু সরকারের হয়ে কাজ করেছেন। কানাডার নাগরিকদের জানার অধিকার রয়েছে কারা তারা এবং প্রতিবেদনে কী তথ্য রয়েছে।
এই তদন্তের ফলে সম্ভাব্য ফৌজদারি অভিযোগ তদন্ত করতে চাপে পড়বে কানাডার পুলিশ। বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে বিতর্কে নতুন উসকানি দেবে এই প্রতিবেদন।
উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি বিষয়টি গুরত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন। তবে আইনপ্রণেতার নাম প্রকাশের বিষয়ে একটি প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন তিনি।









