রাশিয়ার লাভজনক তেল বাণিজ্যের ওপর একটি নতুন ও আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বিবেচনা করছে মার্কিন সরকার। যুদ্ধক্ষেত্রে ক্রেমলিনের ওপর চাপ বাড়াতেই নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে ফিরে আসার কয়েক সপ্তাহ আগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান প্রশাসন। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ নিউজ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
বিষয়টির সঙ্গে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থার বিষয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে রাশিয়ার কিছু তেল রফতানিকে লক্ষ্যবস্তু করবে এমন কিছু বিধিনিষেধ আরোপের কথা বিবেচনা করছে বাইডেন প্রশাসন।
এই পদক্ষেপটি নিতে বাইডেন প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে সংশয়ে ছিল। কেননা, তাদের মনে ভয় ছিল, এটি দেশটিতে জ্বালানি শক্তির খরচ বাড়াতে পারে।
এদিকে, বৈশ্বিক আধিপত্যের মধ্যে তেলের দাম কমে গেছে। আর ট্রাম্প ইউক্রেনকে প্রায় তিন বছরের পুরনো যুদ্ধের অবসান ঘটাতে রাশিয়ার সঙ্গে দ্রুত চুক্তিতে বাধ্য করার চেষ্টা করতে পারেন এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই বিদায়ের আগে, শেষ সপ্তাহগুলো ইউক্রেনে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা বাড়াতেও ব্যয় করেছে বাইডেন প্রশাসন। ইউক্রেনের সহযোগিতা করবে এমন আরও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে এখন উন্মুক্ত তারা।








