মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারি নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিপুল অর্থ খরচের পর জয়ী হয়েছেন বামপন্থি প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ। মধ্যপন্থি হ্যালি স্টিভেন্সকে হারিয়ে তার এই জয়কে এ বছর বামপন্থিদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি দেশটির স্থানীয় সময় বুধবার সকালে তার বিজয়ের ঘোষণা দেয়।
অবসরপ্রাপ্ত ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে আগামী নভেম্বরে হতে যাওয়া মূল নির্বাচনটিকে দেশটির অন্যতম হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখতে এই আসনে এল-সায়েদের জয় অত্যন্ত জরুরি। মিশিগানের গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার, সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চাক শুমার এবং এআইপিএসি-এর মতো শক্তিশালী ও প্রতিষ্ঠিত গোষ্ঠীগুলো স্টিভেন্সকে সমর্থন দিয়েছিল। অন্যদিকে এল-সায়েদের পাশে ছিলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ এবং বিতর্কিত টুইচ স্ট্রিমার হাসান পিকারসহ বামপন্থি কর্মীরা।
তবে সামনে আরও কঠিন লড়াই। মূল নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক রজার্স, যিনি একটি সাম্প্রতিক জরিপে এল-সায়েদের চেয়ে ৩ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। কাদা ছোড়াছুড়ির প্রাইমারি শেষে এখন বিভক্ত দলকে ঐক্যবদ্ধ করাই এল-সায়েদের মূল চ্যালেঞ্জ। স্টিভেন্স অভিযোগ করেছিলেন যে এল-সায়েদ ইহুদিদের ওপর দোষ চাপান এবং তিনি নারীবিদ্বেষী, যা এল-সায়েদ পুরোপুরি অস্বীকার করে সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দিয়েছেন। অন্যদিকে স্টিভেন্সের কথা গুছিয়ে বলতে না পারার সমালোচনা করেছিলেন এল-সায়েদ।
মধ্যপন্থি ডেমোক্র্যাটরা তার অতিরিক্ত বামপন্থি মতাদর্শ নিয়ে জয়ের বিষয়ে শঙ্কিত হলেও, এল-সায়েদের দাবি, তৃণমূল আন্দোলনই নির্বাচনে জয়ের মূল চাবিকাঠি। বামপন্থিদের মধ্যে কেউ কেউ ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার নাম ভাবলেও তিনি তা নাকচ করে দিয়েছেন।

বিছানায় যাওয়ার মাত্র ৮ সেকেন্ডের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন মোদি
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে গ্রেফতার হয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক এক মন্ত্রী







