করোনাভাইরাসের নতুন রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে দক্ষিণ কোরিয়া। চলাফেরায় শিথিলতা আনার পরই এশিয়ার এই দেশটিতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার জানিয়েছে, দেশটিতে বৃহস্পতিবার সবশেষ করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৯০ জন। একইদিন মারা গেছেন ২৯ জন। আগের দিন (বুধবার) মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২০।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্যমতে, সংক্রমণ কমে আসায় তিন সপ্তাহ আগে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছিল দেশটির সরকার। পানশালা, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফেতে প্রবেশে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে সংক্রমণ আবারও আগের অবস্থানে ফিরতে শুরু করেছে। তবে সবকিছু খুলে দেওয়ার কারণ হিসেবে সিউল জানায়, করোনা মোকাবিলায় ৭৫ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিশেষজ্ঞদের। কোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ কিম উ-জু ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ‘এই জন্যই আমাদের বুস্টার ডোজের প্রয়োজন’।
দক্ষিণ কোরীয় সরকার ইতিমধ্যে ১২ থেকে ১৭ বছরের শিশু-কিশোরদের টিকা দেওয়া শুরু করেছে। সংক্রমণের লাগাম টানতে সিনিয়র সিটিজেন, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের বুস্টার ডোজের দিতে কাজ করছে সিউল।









