২০১৭ সালের পর সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরীক্ষার ছবি প্রকাশ করে করেছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম (কেসিএনএ)। দেশটির দাবি, তারা মধ্যমপাল্লার ব্যালিস্টিক ‘হোয়াসং-১২’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।
প্রকাশিত ছবিগুলোর কিছু অংশ কোরীয় উপদ্বীপ এবং মহাকাশ থেকে ধারণকৃত। সোমবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ছবিতে দেখা গেছে, উৎক্ষেপণের সময়কার, মাঝের এবং মহাকাশ থেকে তোলা।
এ নিয়ে এক মাসে সাতবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘটনায় বেশ উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে এক মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা পিয়ংইয়ং-কে পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে পূর্ব শর্ত ছাড়াই সরাসরি আলোচনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এমন খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর উত্তর কোরিয়াকে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
উ. কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে কেসিএনএ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা যাচাই করতে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এ সময় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কি জং উন উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
পিয়ংইয়ং এর আগে জানিয়েছিলো, ‘হোয়াসং-১২' ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘বড় আকারের ও ভারী পারমাণবিক ওয়ার হেড বহনে সক্ষম’।
চলতি মাসে সাতবার ক্ষেপাণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোয় নিন্দা জানিয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া। ব্যালিস্টিক এবং পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে জাতিসংঘ। নিষেধাজ্ঞা এবং পশ্চিমাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশটি।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানায়, এটি মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইআরবিএম)। যা ২০১৭ সালের নভেম্বরের পর সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। জাপান ও দক্ষিণ কোরীয় সরকারের অনুমান অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছায়। ৩০ মিনিটের জন্য ৮০০ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তী এটি জাপান সাগরে পড়ে।









