চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরনের জন্য শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট আগামী সপ্তাহে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে। সোমবার লঙ্কান পার্লামেন্টের স্পিকার জানিয়েছেন, ২০ জুলাই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা দেশটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখলে নেওয়ার পর উভয়েই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্ধনা জানান, শুক্রবার পুনরায় পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হবে এবং পাঁচ দিন পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আজকে বিভিন্ন দলের নেতাদের বৈঠকে সবাই সম্মত হয়েছেন যে, সংবিধান অনুসারে নতুন একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করা আবশ্যক। ক্ষমতাসীন দল বলেছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সর্বদলীয় সরকারের নিকট পদত্যাগে রাজি।
কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভের পর শনিবার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে তার বাড়িতে ঢুকে পড়ে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। আর্থিক অব্যবস্থাপনার জন্য প্রেসিডেন্টকে দায়ী করছে বিক্ষোভকারীরা। এই অব্যবস্থাপনায় খাবার, জ্বালানি ও ওষুধের সংকট চলছে কয়েক মাস ধরে।
শনিবার বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনিও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
তবে বিক্ষোভকারীরা এখনও প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আস্থা রাখতে পারছেন না। ছাত্র বিক্ষোভের এক নেতা লাহিরু ভিরাসেকারা বলেন, ‘আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়নি। আমরা এই সংগ্রাম তখন পর্যন্ত ছাড়বো না যতক্ষণ (প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে) আসলেই সরে না যান’।
এর আগে শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের এক সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই নতুন আন্তঃদলীয় সরকার গঠন করতে হবে।








