পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, ৯ মে সেনাবাহিনীর স্থাপনায় আক্রমণকারী হিসেবে গ্রেফতারকৃত ৩৩ সন্দেহভাজনকে দেশটির সশস্ত্রবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের মধ্যে পাঞ্জাবে ১৯ জন এবং খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ১৪ জনকে সেনাদের হাতে তুলে ধরা হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে সানাউল্লাহ বলেন, সামরিক আদালত বা সেনা কর্মকর্তাদের হাতে পাঞ্জাবে মাত্র ১৯ জন এবং খাইবার পাখতুনখাওয়াতে ১৪জনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। এফআইআর-এর থাকা ৪৯৯ জনের মধ্যে মাত্র ছয়জনের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন পাঞ্জাবের ও চারজন খাইবার পাখতুনখাওয়ার। তাদের বিচার সামরিক আদালতে হতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেছেন, কিন্তু এমন অবস্থা তৈরি করা হয়েছে যেন মনে হচ্ছে তাদের সবাইকে সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
৯ মে পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানকে গ্রেফতারের পর পাকিস্তানজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর সদর দফতরের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।
সেনাবাহিনী এই সহিংসতাকে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করে। তারা ঘোষণা দেয়, সহিংসতায় জড়িতদের পাকিস্তান সশস্ত্রবাহিনী আইন ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন নামের দুটি সামরিক আইনে বিচার করা হবে। তাদের এই ঘোষণাকে সমর্থন দেয় জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি। এই কমিটিই হলো পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক। যদিও এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে অ্যাক্টিভিস্ট ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।









