যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ুবিষয়ক দূত জন কেরি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার বেইজিংয়ে চীনের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে চার ঘণ্টা বৈঠকের পর তিনি এই আহ্বান জানান। দুই দেশ বৈষ্ণিক উষ্ণতা হ্রাস করতে স্থবির কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার সাংবাদিকদের জন কেরি বলেছেন, আগামী তিন দিনে আমরা আশা করছি কিছু বড় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। যা বিশ্বকে ইঙ্গিত দেবে যে সাধারণ ঝুঁকি, হুমকি ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পুরো মানবতা, যে সংকট মানুষ নিজেরাই তৈরি করেছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশ্বে তীব্র আবহাওয়া বিরাজ করায় ঝড় ও দাবানলের সংখ্যা বাড়ছে।
গত বছর রাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্বের বৃহত্তম দুটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গতকারী দেশের মধ্যে জলবায়ু নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক চীনের বিশেষ দূত শিয়ে ঝেনহুয়া জন কেরির সঙ্গে তার আলোচনা শেষ করেছেন। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তাদের মধ্যে এ আলোচনা চলে।’
ঝেনহুয়ার সঙ্গে বৈঠকের পর জন কেরি টুইটারে লিখেছেন, বিশ্বের উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে বৃহত্তম দুটি অর্থনীতির একসঙ্গে কাজ করা দাবি করে জলবায়ু সংকট।
বৈঠকের পর বেইজিং বলেছে, জলবায়ু সংকট হলো সেই সাধারণ চ্যালেঞ্জ যা পুরো মানবসভ্যতা মোকাবিলা করছে।
বিশ্বের শীর্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গতকারী দেশ চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বণ নিঃসরণ সর্বোচ্চ হবে এবং ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, ২০২৬ সাল থেকে চীন কয়লার ব্যবহার হ্রাস করবে।









