জাতির প্রয়োজন দৃঢ় হাত: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:৩৫আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪:০০

পাকিস্তানিদের একটি দৃঢ় হাত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির। এসময় পাকিস্তানকে অরাজকতা এবং মেরুকরণের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে বলেও জানিয়েছেন। পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এর আগেই শনিবার (১০ জানুয়ারি) এসব কথা বলেছেন তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক ভূখণ্ডের বিশাল এলাকাজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ১৯৪৭ সালে ভারত থেকে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে দেশটির ইতিহাসের প্রায় অর্ধেক সময়ই ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেলরা।

সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির বলেছেন, ‘২৫ কোটি মানুষের একটি প্রগতিশীল দেশের নৈরাজ্য ও মেরুকরণের রাজনীতি উপযুক্ত নয়। এর থেকে বের হয়ে আসতে জাতির একটি দৃঢ় হাত এবং উত্তোরণের প্রয়াস দরকার।’

সামরিক বাহিনীর সমর্থনেই দেশটিতে রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং পতন ঘটে থাকে। চলতি বছর সামরিক বাহিনী দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দলকে সমর্থন করছে বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হচ্ছে।

শনিবার বেসরকারিভাবে প্রকাশিত চূড়ান্ত কয়েকটি নির্বাচনি ফলাফলে কোনও সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখা যায়নি। তবে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন।

ফলাফল ঘোষণায় দীর্ঘ বিলম্ব হলে সামরিক সংস্থার ভোট কারচুপিতে জড়িত থাকাসহ এমন আরও অনেক অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্যে শুক্রবার সেনাবাহিনী-সমর্থিত পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) সর্বাধিক সংখ্যক আসনে নিজেদের বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন জয়-পরাজয়ের একটি শূন্য-সমষ্টির প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি ভোটদানের মাধ্যমে জনগণের আগ্রহ জানার একটি অনুশীলন।’

এতে আরও বলা হয়, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং তাদের কর্মীদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে জনগণের শাসন ও সেবা করার প্রচেষ্টাকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এটিই গণতন্ত্রকে কার্যকরী এবং উদ্দেশ্যমূলক করার একমাত্র উপায়।’

/এএকে/
সম্পর্কিত
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম