পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, সেনাবাহিনী তাকে ক্ষমা চাইতে বলেছিল। শনিবার (৩ আগস্ট) আদিয়ালা কারাগারে বসেই সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
কয়েকজন সাংবাদিক কারাগারের ভেতর স্থাপিত আদালতে ইমরান খানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কথা বলেন। এ সময় সাংবাদিকরা বলেন, ৯ মের সহিংস বিক্ষোভের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের সেনাবাহিনী ক্ষমতা চাইতে বলেছেন। তিনি ক্ষমা চাইবেন কিনা, জানতে চান সাংবাদিকরা।
তাদের প্রশ্নের উত্তরে ইমরান খান বলেন, ক্ষমতা চাওয়ার কোন কারণ নেই।
গত বছরের ৯ মে ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় উত্তেজিত হয়ে তার সমর্থকরা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অবকাঠামোতে ব্যাপক হামলা চালান। ওই হামলার জন্য ইমরানের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে ওই সংঘর্ষের ঘটনায় ইমরানকে ক্ষমা চাইতে বলে সেনাবাহিনী।
তিনি বলেন, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে একজন সার্বক্ষণিক মেজর জেনারেলের নেতৃত্বে রেঞ্জার্সরা তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
কিন্তু ৭ মে থেকেই আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেছিলেন, পিটিআই এর সাথে যে কোনও সংলাপ হতে পারে যদি দলটি তার 'নৈরাজ্যের রাজনীতির' জন্য ক্ষমা চায়। কিন্তু বারবারই ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন ইমরান। ওই সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংলাপে বসতেও রাজি ছিলেন না ইমরান। তবে সম্প্রতি তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বারবার সরকারের সাথে নয় সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তার ভাষায়, সরকারের সাথে আলোচনা একটি নিরর্থক অনুশীলন। তাই তিনি শুধু ‘প্রকৃত কর্তৃপক্ষের’ সঙ্গেই আলোচনা করবেন।
আগামীকাল পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভ পালন করবে পিটিআই।








