পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দুই বোন আলিমা খান ও উজমা খানকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা থেকে জেলামের জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) তাদেরকে জেলা কারাগারে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)। সেই সঙ্গে পুলিশের শারীরিক রিমান্ড বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে তাদেরকে বিচারিক রিমান্ডে জেলে পাঠানোর নির্দেশও দেয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদের ডি-চক এলাকায় ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের বিক্ষোভ চলাকালে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে,তাদের সুরক্ষার জন্য এরই মধ্যে জেলামে কারাগারে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, প্রায় ৫০০ বন্দী জেলামে স্থানান্তর করা হচ্ছে এবং তাদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জেল সুপারিনটেনডেন্ট সৈয়দ হাসান মুজতবা শাহের সঙ্গে সংবাদমাধ্যম ডন যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।
এর আগে, রাওয়ালপিন্ডির এটিসি আদালত পুলিশের শারীরিক রিমান্ড বাড়ানোর আবেদনের বিরোধিতা করে দুই বোনের জামিন আবেদন নিয়ে নোটিশ জারি করে।
আলিমা এবং উজমাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়। দুই পক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন।
দুই বোনের আইনজীবী নিয়াজুল্লাহ খান নিয়াজি যুক্তি দেন যে, পুলিশের কাছে শারীরিক রিমান্ড চাওয়ার জন্য আর কোনও ভিত্তি নেই।
তবে প্রসিকিউটর রাজা নবীদ আরও রিমান্ড চেয়ে যুক্তি দেন যে, ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ’ যেমন: মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের জন্য পুলিশের আরও সময় প্রয়োজন।
দুই বোনের আরেক আইনজীবী উসমান রিয়াজ গিল জানান, নারীদের জন্য রিমান্ড চাওয়ার নির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
ইমরান খানের দুই বোনের বিক্ষোভের সময়ের ফুটেজ আদালতে দেখানোর অনুরোধ করেন তিনি। তার দাবি, এটি পুলিশের কার্যক্রমের অবৈধতা প্রমাণ করবে।
তবে বিচারক তাহির আব্বাস সিপরা এই অনুরোধটি খারিজ করে দেন।আলিমা এবং উজমার পরবর্তী শুনানি ১৯ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে আদালত।








