তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমার কাছে চীনের ৩৭টি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক বিমান শনাক্ত করা হয়েছে। চীন দূরপাল্লার প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চালিয়েছে বলে তাইপেই রবিবার (৩ নভেম্বর) জানিয়েছে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে চীনা বিমানগুলোকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর মধ্যে ৩৫টি তাইওয়ান প্রণালির মাঝের লাইন অতিক্রম করে তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে অগ্রসর হয়।
তাইওয়ান জানিয়েছে, চীনের এই তৎপরতার জবাবে তারা নিজস্ব বিমান, নৌযান ও ভূমিভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে।
এর এক দিন আগে তাইওয়ান জানায়, চীনের একটি সামরিক যৌথ যুদ্ধ প্রস্তুতি টহল কার্যক্রম চালানো হয়েছিল। এতে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তারা চীনের ২৭টি যুদ্ধবিমান এবং ৬টি যুদ্ধজাহাজ পর্যবেক্ষণ করেছে।
চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে মনে করে এবং দ্বীপটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। গত মাসে তাইওয়ানের চারপাশে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালায় বেইজিং, যা তাইপেই এবং তাদের অন্যতম মিত্র যুক্তরাষ্ট্র কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বরে চীন দূরপাল্লার প্রশিক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনা করে এবং প্রশান্ত মহাসাগরে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে, যা অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বাড়িয়েছিল।









