পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সোমবার ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
পিটিআই ইসলামাবাদের ডি-চকে একটি বিক্ষোভ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানসহ কারবন্দি নেতাদের মুক্তিসহ কয়েকটি দাবিতে এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা। এমন সময় এই কর্মসূচি ডাকা হয়েছে যখন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর ইসলামাবাদ সফর করবেন। এই সফরকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উদ্বেগ বেড়েছে।
ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে, সদ্য প্রণীত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ আইন লঙ্ঘন করে কোনও বিক্ষোভ আয়োজন করতে দেওয়া যাবে না। এর পাশাপাশি, রাজধানীর প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্টগুলো সিল করা হয়েছে এবং ধারা ১৪৪ জারি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি জানিয়েছেন, মোবাইল পরিষেবা সচল থাকলেও ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে।
ইসলামাবাদ, করাচি, পেশোয়ারসহ অন্যান্য শহরেও ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটছে।
অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে শত শত পুলিশ, রেঞ্জার্স ও ফ্রন্টিয়ার কনস্ট্যাবুলারি (এফসি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাঞ্জাব সরকারও প্রদেশজুড়ে ধারা ১৪৪ জারি করেছে এবং ১০ হাজার ৭০০ পুলিশ সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
গত কয়েক মাসে ইমরান খান নেতৃত্বাধীন দল একাধিকবার ইসলামাবাদ অভিমুখে মিছিল করেছে। এসব মিছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে।
রাজধানী প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্ত দেশের চলমান অস্থির পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহিংসতা এড়ানোর জন্য নেওয়া হয়েছে।









