পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নৌ মোতায়েন উন্নত হলেও এর সঙ্গে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে’র প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সফরের কোনও মিল নেই। বরং এটি অতীতের অন্যান্য বড় মহড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
মার্কিন ওই কর্মকর্তার এই মূল্যায়নটি তাইওয়ানের বিবৃতিগুলোর সঙ্গে বিপরীত, যেগুলোতে বলা হয়েছে, প্রায় তিন দশকের মধ্যে আঞ্চলিক জলসীমায় বৃহত্তম নৌ-বহর মোতায়েন করছে চীন।
দেশটির সরকারি নাম গণপ্রজাতন্ত্রী চীন ব্যবহার করে মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘পিআরসি সামরিক কার্যকলাপ এই অঞ্চলে উন্নীত হয়েছে। তবে এটি অন্যান্য বৃহৎ মহড়ার সময় আমরা যে স্তরগুলো দেখেছি সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
এ বিষয়ে চীনের সামরিক বাহিনী এখনও কোনও মন্তব্য করেনি। এমনকি তারা যে কোনও সামরিক মহড়া চালাচ্ছে সেটিও নিশ্চিত করেনি।
স্বায়্ত্তশাসিত তাইওয়ানকে নিজ ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে চীন। শুক্রবার তাইপে প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে-এর শেষ হওয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় সফর উপলক্ষ্যে ক্ষোভ প্রকাশের জন্য চীন মহড়া শুরু করবে বলে আশা করা হয়েছিল। এই সফরে লাই হাওয়াই ও মার্কিন অঞ্চল গুয়ামের যাত্রাবিরতি করেছিলেন।
তবে মার্কিন ওই কর্মকর্তা চীনা নৌবাহিনীর এই মোতায়েনের সঙ্গে লাইয়ের সফরের কোনও মিল খুঁজে পাননি। তিনি বলেন, মার্কিন অঞ্চলে ‘প্রেসিডেন্ট লাইয়ের যাত্রাবিরতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে আমরা পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে কোনও কার্যকলাপ দেখি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে পিএলএ-এর সামরিক ভঙ্গি ও সামরিক মহড়ার ব্যাপক বৃদ্ধির অংশ এই কার্যকলাপ। এই কার্যকলাপগুলো এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে ও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।’








