সীমান্ত সংঘর্ষের পর আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৪০আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৪০

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে উসকানিমূলক হামলার পর বর্তমানে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে ‘কোনও সম্পর্ক নেই’। সোমবার (১৩ অক্টোবর) জিও নিউজের অনুষ্ঠান ‘আজ শাহজেব খানজাদা কে সাথ’-এ খাজা আসিফ বলেন, আজকের দিনে আমাদের মধ্যে কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক নেই। হামলার উসকানি দেওয়ার জন্য আফগানিস্তানকে দায়ী করেছেন তিনি। পাকিস্তানের দৈনিক ডন-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ আরও বলেন, এ মুহূর্তে পরিস্থিতি স্থবির। সক্রিয় যুদ্ধ চলছে না বলা যায়, কিন্তু পরিবেশটি শত্রুতাপূর্ণ।’

মন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা যেকোনো সময় পুনরায় শুরু হতে পারে। তাই পাকিস্তানকে ‘সতর্ক অবস্থায়’ থাকতে হবে।

সংলাপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আসিফ বলেন, ‘হুমকির মধ্যে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।’

খাজা আসিফ বলেন, যদি আফগানিস্তান আলোচনায় বসতে চায় অথচ একই সঙ্গে পাকিস্তানকে হুমকি দেয়, তাহলে আগে তারা তাদের হুমকি কার্যকর করুক—আমরা পরে আলোচনা করব।’

পাকিস্তানের সামরিক প্রতিক্রিয়া ন্যায্য ছিল বলে দাবি করেন আসিফ।

তিনি বলেন, এটা একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। যদি আপনাকে আক্রমণ করা হয়, আপনি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন এবং হামলার উৎসকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারেন। আমরা কোনও জনবসতিপূর্ণ এলাকা বা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করিনি। আমরা কেবল তাদের ঘাঁটিগুলোকে টার্গেট করেছি।’

মন্ত্রী আফগানিস্তানকে বহু আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব জানে, আফগানিস্তান এখন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের এক মিলনস্থল, যেখানে আইএস, আল-কায়েদা ও তালেবান সক্রিয়। এরা সবাই কাবুলের ছায়াতলে রয়েছে।’

তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর প্রধান নূর ওয়ালি মেহসুদের আফগানিস্তানে উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আসিফ বলেন, ‘আমরা যাদের লক্ষ্যবস্তু করেছি, তারা ছিল তাদের ভূখণ্ডেই। আমি যখন দুই-আড়াই, তিন বছর আগে সেখানে গিয়েছিলাম, তখন তারা বলেছিল এই লোকদের সরিয়ে দেবে। সে চাঁদে ছিল না, আফগানিস্তানেই ছিল।’

শেষে আসিফ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আন্তরিকতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

/এস/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম