প্রথম ধাপের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫২ শতাংশ, দাবি জান্তা সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৯আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৯

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা জানিয়েছে, দেশটিতে চলমান তিন ধাপের জাতীয় নির্বাচনের প্রথম পর্বে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ শতাংশের সামান্য বেশি। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপে ১০২টি টাউনশিপে ছয় মিলিয়নের বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা মোট নিবন্ধিত ভোটারের ৫২.১৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জাও মিন তুন বলেন, “উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও অনেক সময় ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশ ছাড়ায় না এবং এই হারকে তিনি গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনটি হচ্ছে গৃহযুদ্ধের মধ্যেই। আর ভোটার উপস্থিতির হার আগের দুই সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমসের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারে ২০১৫ ও ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

এই নির্বাচনটি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রথম জাতীয় ভোট। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) আবারও ক্ষমতায় ফিরবে। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা।

তবে জাতিসংঘ, কয়েকটি পশ্চিমা দেশ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ জান্তাবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি এবং ভোট নিয়ে সমালোচনা করা আইনত নিষিদ্ধ।

নির্বাচনের পরবর্তী ধাপের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১১ জানুয়ারি ও ২৫ জানুয়ারি। এই দুই দফায় মিয়ানমারের ৩৩০টি টাউনশিপের মধ্যে ২৬৫টিতে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও, জান্তার সব এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই।

এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশন্স জানিয়েছে, জান্তার নির্ধারিত নির্বাচনি আইনে ন্যূনতম ভোটার উপস্থিতির কোনো শর্ত নেই।

এদিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অং সান সু চি এখনও আটক রয়েছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বিপুল বিজয় অর্জন করলেও সামরিক অভ্যুত্থানের পর দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

/এস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী