যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই এক নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, জিনজিয়াংয়ের প্রত্যন্ত মরুভূমিতে অবস্থিত রুওকিয়াং টেস্ট রেঞ্জে আমেরিকার আর্লেইগ বার্ক-ক্লাস ডেস্ট্রয়ারের একটি পূর্ণাঙ্গ ও অবিকল নকল তৈরি করেছে চীন।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে ৬ মিটার চওড়া একটি রেল সিস্টেমের ওপর যুদ্ধজাহাজের আকারের এই নিশানাটি স্থাপন করা হয়েছে, যা মূলত চলন্ত সামুদ্রিক জাহাজের মতো কাজ করতে পারে।
ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, এই জটিল পরীক্ষাগারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। অলসোর্স অ্যানালিসিসের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজের এই নিখুঁত মডেলগুলোর চারপাশে এবং ওপরে একাধিক সেন্সর বসানো হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু খোঁজা এবং তা নিখুঁতভাবে অর্জনের পরীক্ষার কাজে দীর্ঘ সময় ধরে বহুমুখী ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এই রেঞ্জটি তৈরি করা হয়েছে। মূলত সম্ভাব্য কোনও যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বাড়াতে এবং লক্ষ্যভেদের অনুশীলনের অংশ হিসেবেই বেইজিং এই নকল যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করছে।
নিউজউইকের তথ্য অনুযায়ী, এই আর্লেইগ বার্ক-ক্লাস গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এটি বিমানবাহী রণতরির রক্ষী হিসেবে, বিমান প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এবং সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে হওয়া সংঘাতের মতো দূরপাল্লার হামলায় ব্যবহৃত হয়। জাপানে অবস্থানরত মার্কিন সপ্তম নৌবহরের অধীনে থাকা ডেস্ট্রয়ার স্কোয়াড্রন ১৫-এ এ ধরনের ১০টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে, যা এই ঘরানার সবচেয়ে বড় ইউনিট। প্রশান্ত মহাসাগরে কার্যক্রম পরিচালনার সময় এই স্কোয়াড্রনের জাহাজগুলোর সঙ্গে প্রায়ই চীনা নৌবাহিনীর মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সূত্র: এনডিটিভি

ইসরায়েলের ‘পরম বন্ধু’কে হারিয়ে শোকাহত নেতানিয়াহু
শেষ হলো চীন ও রাশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া







