চলন্ত স্কুটারে করে যাওয়ার সময় স্ত্রীর সঙ্গে তুমুল ঝগড়া বেধেছিল দিল্লির এক পুলিশ কনস্টেবলের। ঝগড়ার একপর্যায়ে রাস্তার পাশে স্কুটার থামিয়ে নিজের সার্ভিস পিস্তল বের করে স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেন তিনি। এরপর রক্তাক্ত স্ত্রীকে রাস্তায় ফেলেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ওই পুলিশ সদস্য। দিল্লির কল্যাণপুরী এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে একটি সিসিটিভি ক্যামেরায়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ২৬ বছর বয়সী প্রিয়াঙ্কা পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক ছিলেন। অভিযুক্ত মনীশ কুমার দিল্লি পুলিশের পূর্ব জেলা অ্যান্টি অটো থেফট স্কোয়াডের (এএটিএস) একজন কনস্টেবল।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, স্কুটারটি রাস্তার পাশে থামার পরপরই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে কনস্টেবল মনীশ তার পিস্তল বের করে প্রিয়াঙ্কাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে চম্পট দেন।
ঘটনাস্থল দিয়ে যাওয়ার সময় এক ডমিনোস ডেলিভারি কর্মী পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গুলির শব্দে আমরা সবাই ভীষণ ভয় পেয়ে যাই। সেখানে অন্ধকার ছিল এবং রাস্তার পাশে একটি মোটরসাইকেল (স্কুটার) পড়ে ছিল। আমি থামতেই দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন একজন মেয়ে। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। অন্য কোনও কিছু চিন্তা না করে আমরা ৪-৫ জন মিলে দ্রুত একটি অটোরিকশা ডেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর প্রিয়াঙ্কা মারা যান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত কনস্টেবল মনীশ কুমার পলাতক রয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য প্রমাণ পরীক্ষা করে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। পলাতক ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

জ্বালানি সংকট ও লোডশেডিংয়ের কিউবায় ভরসা এখন সৌরচালিত তিন চাকা
ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের, সিদ্ধান্ত নেবেন কে







