সুইডেনের একটি অভিবাসী আশ্রয়শিবিরে এক কিশোর অভিবাসীর ছুরিকাঘাতে শিবিরের একজন নারীকর্মী নিহত হয়েছেন। গোথেনবার্গের নিকটবর্তী মোলনদাল এলাকার ওই শিবিরটিতে ২২ বছরের ওই নারীকর্মীকে ছুরিকাঘাত করে ১৫ বছরের এক কিশোর অভিবাসী। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তাক্ত, গুরুতর আহত ওই নারীর মৃত্যু হয়। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোভেন। হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আশ্রয়শিবিরটি পরিদর্শন করেছেন তিনি।
সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, অনেক সুইডিশই আবারও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন। কারণ আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে অনেক নিঃসঙ্গ শিশু ও তরুণকে আশ্রয় দিয়েছে সুইডেন।
পুলিশের মুখপাত্র থমাস ফাক্সবর্গ জানান, শিবিরের অন্য বাসিন্দারা অপরাধীকে ধরে ফেলে। এ ঘটনায় সেখানকার লোকজন বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন।
তিনি জানান, পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘ছড়িয়ে থাকা প্রচুর রক্তের সঙ্গে অপরাধের নমুনা’ দেখতে পেয়েছেন। সেখান থেকে একটি রক্তাক্ত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
ওই আশ্রয়শিবিরের সব বাসিন্দার বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। এই হত্যাকাণ্ডের পর রাতের জন্য শিবিরের সবাইকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
গতবছর দেড় লাখেরও বেশি আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করেছে সুইডেন। জার্মানির পর ইউরোপের এ দেশটিই সবচেয়ে বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় দিয়েছে। সূত্র: বিবিসি।
/এমপি/







