ইউক্রেনের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, দখলকৃত খেরসনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে রুশ সেনারা ‘তীব্রতম লড়াইয়ের’ প্রস্তুতি নিচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন শহরটি রাশিয়া ও ইউক্রেনের জন্য কৌশলগত কারণে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে শহরটি থেকে বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় রুশ কর্তৃপক্ষ। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এখবর জানিয়েছে।
আট মাস আগে ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধের শুরুতেই খেরসন দখল করেছিল রুশ বাহিনী। সম্প্রতি অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। ইতোমধ্যে তারা বেশ কিছু গ্রাম মুক্ত করেছে রুশ বাহিনীর কাছ থেকে। ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে মোতায়েনকৃত রুশ সেনারা ইউক্রেনীয়দের ঘেরাওয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রুশ কর্তৃপক্ষ শহরের বাসিন্দাদের নদীর পূর্ব তীরে চলে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এক উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্টোভিচ বলেছেন, খেরসন থেকে রুশ সেনাদের পিছু হটার কোনও ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। সব কিছুই স্পষ্ট। রাশিয়া নিজেদের শক্তিশালী করছে, পুনরায় সংগঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর অর্থ হলো কেউ শহর ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে না। উল্টো খেরসনে তীব্রতম লড়াই হতে চলেছে।
সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনের যে চারটি ভূখণ্ডকে রাশিয়া নিজেদের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছিল খেরসন সেগুলোর একটি। কৌশলগত কারণে শহরটি গুরুত্ব ব্যাপক। ডনিপ্রো নদীর মুখ এবং ক্রিমিয়া যাওয়ার স্থলপথ এই শহর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
খেরসনের ইউক্রেনীয় আঞ্চলিক কাউন্সিলের উৎখাত হওয়া সদস্য ইউরি সবোলেভস্কি বলেছেন, খেরসন ত্যাগের জন্য স্থানীয় ওপর চাপ দিচ্ছে রুশ মনোনীত কর্তৃপক্ষ। তল্লাশী ও যাচাই প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। গাড়ি ও বাড়িতে তল্লাশী চালানো হচ্ছে।
রাশিয়া দাবি করেছে, শহর থেকে বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্যই সরে যেতে বলা হয়েছে।









