ইরান ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর শীর্ষ পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক প্রতিনিধিরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে। জর্ডানে উভয়পক্ষের বৈঠকের পর দুই পক্ষ এই ইঙ্গিত দিয়েছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ বাগদাদ কনফারেন্স ফর কোঅপারেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপ আয়োজন করেন। এই সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাব্দোল্লাহিয়ান এবং ইইউ’র পররাষ্ট্র প্রধান যোসেফ বোরেল।
এই পার্শ্ববৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের শীর্ষ মধ্যস্থতাকারী আলি বাঘেরি কানি এবং ইইউ’র সমন্বয়কারী এনরিক মোরা।
বৈঠকের পর বোরেল টুইটারে লিখেছেন, ইরান-ইইউ সম্পর্কের অবনতির কারণে এই আলোচনা ছিল প্রয়োজনীয়। বৈঠকে রাশিয়াকে সামরিক সহযোগিতা ও দেশে নিপীড়ন বন্ধে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
তিনি আরও লিখেছেন, উভয়পক্ষ পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবনের জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে একমত হয়েছে।
২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে চুক্তিটি পুনরুজ্জীবনে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আলোচনা শুরু হয় ২০২১ সালের এপ্রিলে। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আলোচনা অচলাবস্থায় পৌঁছায়। ওই সময় পশ্চিমা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তেহরান চুক্তির বাইরে গিয়ে দাবি করছে। ইরান যা অস্বীকার করে আসছে।









