এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উরমাস রেইনসালু ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি স্থাপনের জন্য বহুদেশীয় জোট থেকে ইউক্রেনকে বাদ না দেওয়ার জন্য। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এমন কিছুর অর্থ হবে ইউক্রেনকে রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য বিপর্যয়কর অস্ত্রের ব্যবহার। মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক এ খবর জানিয়েছে।
উরমাস রেইনসালু বলেছেন, জোটে যোগদানে কিয়েভের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাহ্য করতে পারে না ন্যাটো। এটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার ইউক্রেনের জন্য একটি হুমকি।
তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য ন্যাটোর উন্মুক্ত দরজার নীতি এবং এক সময় জোটের সদস্যপদ পাওয়ার আশ্বাস যথেষ্ট নয়।
উরমাস রেইনসালু বলেন, এই যুদ্ধের পর বাস্তবে আমরা যদি ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেখতে না পাই এর অর্থ হবে আমরা ভয় পাই অথবা আশঙ্কা করছি রাশিয়া আবারও আক্রমণ করবে এবং এরপর ন্যাটো দেশগুলো একটি বিশ্বযুদ্ধে জড়াবে, অন্তত ইউরোপীয় মহাদেশে।
তিনি আরও বলেন, বড় আকারের যুদ্ধ পুনরায় ফিরে আসে। আমার মনে হয় এটি খুব বিপজ্জনক। আমরা বিপদের লাগাম টেনে ধরতে পারিনি কিংবা বর্তমান যুদ্ধের ফল কী হবে তা জানি না, এমনটি স্বীকার করা খুব বিপজ্জনক।
যুদ্ধ চলমান অবস্থায় ইউক্রেনকে জোটের সদস্য করবে না ন্যাটো। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রুশ আক্রমণের পর দ্রুততার সঙ্গে জোটের সদস্য করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে ইউক্রেনকে। এর আওতায় ইউক্রেনকে এখনই ন্যাটোর পূর্ণাঙ্গ সদস্য করা হবে না। নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় ন্যাটোর অত্যাধুনিক অস্ত্র ইউক্রেনে পাঠানো হবে, কিন্তু ন্যাটোর সমন্বিত সুরক্ষা পাবে না। এমনকি ইউক্রেনের মাটিতে ন্যাটো সেনা মোতায়েন করা হবে না।








