ন্যাটোকে মোকাবিলায় পশ্চিম সীমান্তে সামরিক শক্তি বাড়াবে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯ আগস্ট ২০২৩, ২৩:৪০আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৩, ২৩:৪০

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, পশ্চিম সীমান্তে সেনা উপস্থিতি ও সামরিক শক্তি বাড়াবে রাশিয়া। বুধবার তিনি এই মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোতে ফিনল্যান্ডের যোগদানের পর এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে মস্কো। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজিয়ামের উদ্বোধনী বক্তব্যে সের্গেই শোইগু বলেছেন, ন্যাটো সদস্য পোল্যান্ড ইতোমধ্যে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তিনি আশঙ্কা করছেন, ফিনল্যান্ডে  ন্যাটোর উল্লেখযোগ্য সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করা হবে।

ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের ফলে রাশিয়ার সঙ্গে জোটের সীমান্ত প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সমন্বিতভাবে পশ্চিমারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি ছায়াযুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। ন্যাটোতে ফিনল্যান্ডের যোগদান এবং আগামীতে সুইডেনের যোগ দেওয়া হবে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতার উপাদান।

তিনি বলেছেন,  ফিনিশ ভূখণ্ডে ন্যাটোর অতিরিক্ত সেনা ইউনিট ও হামলার অস্ত্র মোতায়েন করা হতে পারে। যেগুলো রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমে গুরুত্বপূর্ণ নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম হবে। আজকের বোর্ড সভায় আমরা লেনিনগ্রাদ ও মস্কো সামরিক জেলা এবং পশ্চিমাঞ্চলে শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করব।

তিনি আরও বলেছেন, পোল্যান্ড মহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রুশবিরোধী নীতি বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে দেশটি। গত বছর ফেব্রুয়ারির পর থেকে পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সেনা সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার।

উল্লেখ্য, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন চিরাচরিতভাবে নিজেদের সামরিকভাবে ‘জোট নিরপেক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করে আসছিল। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর দেশ দুটি ন্যাটোতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। ফিনল্যান্ড ইতোমধ্যে যোগ দিয়েছে এবং সুইডেন যোগদানের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

/এএ/
সম্পর্কিত
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
সর্বশেষ খবর
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ