মার্কিন সহায়তা না পেলে ইউক্রেনকে পিছু হটতে হবে: জেলেনস্কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ মার্চ ২০২৪, ১২:১৯আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৪, ১৫:২৫

কংগ্রেসে বিরোধের কারণে মার্কিন সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি না পেলে ইউক্রেন বাহিনীকে রণক্ষেত্র থেকে স্বল্প পরিসরেপিছু হটতে হবে। শুক্রবার (২৯ মার্চ) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই কথা বলেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টকে জেলেনস্কি বলেছেন,‌‌‌‌‌‌‍‘মার্কিন সমর্থন না থাকা মানে আমাদের কাছে কোনও বিমান প্রতিরক্ষা নেই, কোনও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র নেই, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের জন্য কোনও জ্যামার নেই। এমনকি, নেই কোনও ১৫৫ মিলিমিটার গোরাবারুদ।’

তিনি বলেছিলেন, ‘এর মানে দাঁড়ায় আমরা পিছু হটব। ধাপে ধাপে, ছোট ছোট পদক্ষেপে। তবে যাতে পিছু হটা না লাগে এমন কিছু উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি আমরা।’

সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি আরও বলেন, রণক্ষেত্রে যুদ্ধাস্ত্রের ঘাটতির মানে হলো ‘আপনাকে অল্প সরঞ্জামে কাজ চালাতে হবে। যদি প্রশ্ন করুন কীভাবে? অবশ্যই তা ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে। যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখভাগে সেনা কমাতে হবে। আর যদি এই লাইনটি ভেঙে যায় তবে রুশ সেনারা বড় শহরে ঢুকে যাবে।’

রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে দেশের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে কয়েক মাস ধরে এটি ঝুলিয়ে রেখেছেন হাউস স্পিকার মাইক জনসন।

বৃহস্পতিবার টেলিফোনে কথোপকথনের সময় জেলেনস্কি জনসনকে বলেছিলেন, প্যাকেজটির অনুমোদন দেওয়া অত্যাবশ্যক ছিল।

গত মাসে পূর্বাঞ্চলীয় শহর আভদিভকা দখলে নিয়েছে রুশ বাহিনী। এরপরই অল্পই অগ্রগতি করেছে বাহিনীটি। তবে যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখভাগে কয়েক মাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন এসেছে।

সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ইউক্রেন দেশীয় অস্ত্র ওবিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের অভাব পূরণ করছে। তবে ‘এটি পর্যাপ্ত নয়।’

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এর মধ্যে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও অন্যান্য অবকাঠামোতে আক্রমণের গতি তীব্র করেছে দেশটি।

/এএকে/
সম্পর্কিত
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম