ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের রফতানি ও আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার (২ মে) থেকে এটি কার্যকর করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি’র কথা উল্লেখ করে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে রফতানি ও আমদানি লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সব ধরনের পণ্য রয়েছে।’
এ বিষয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইসরায়েল সরকার গাজায় নিরবচ্ছিন্ন এবং পর্যাপ্ত মানবিক সাহায্য প্রবাহের অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত নতুন এই পদক্ষেপগুলো কঠোর এবং সিদ্ধান্তমূলকভাবে বাস্তবায়ন করবে তুরস্ক।’
২০২৩ সালে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬.৮ বিলিয়ন ডলার।
গত মাসে ইসরায়েলের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তুরস্ক। তখন দেশটি বলেছিল, গাজায় আকাশপথে সাহায্য পাঠানোয় তুরস্ককে বাধা দিয়েছিল ইসরায়েল।
এর আগে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ইসরায়েলের আমদানি ও রফতানির জন্য বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে চুক্তি ভঙ্গ করছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা একটি পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘তুর্কি জনগণ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিকে উপেক্ষা করে একজন স্বৈরশাসক এমন আচরণ করেন।’
কাটজ আরও বলেন, ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্যের বিকল্প তৈরিতে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দেশটি এখন স্থানীয় উৎপাদন এবং অন্যান্য দেশ থেকে আমদানির দিকে মনোনিবেশ করেছে।








