ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর রুয়েনে ইহুদিদের একটি সিনাগগ আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গুলি করেছে ফরাসি পুলিশ। এতে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৭ মে) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
রুয়েন প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, একটি ছুরি ও ধাতব সরঞ্জাম দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকি দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। এরপরই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ।
সিনাগগ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে স্থানীয় সময় পৌনে সাতটার দিকে পুলিশে খবর দেয় ওই এলাকার বাসিন্দারা।
ফরাসি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলাকারী জানালা দিয়ে একটি পেট্রোল বোমা সিনাগগের ভিতরে ছুড়ে মারে। ২৯ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি আলজেরিয়ান। ফ্রান্স ছাড়ার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন তিনি। তবে হামলার কারণ জানা যায়নি।
নিরাপত্তা ক্যামেরায় ব্যক্তিটিকে দেখার পর, দ্রুত ঘটনাস্থলে যান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ওই সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিনাগগের ছাদে ছিলেন। দুই কর্মকর্তাকে দেখে ছাদ থেকে ছুরি হাতে লাফ দেন তিনি। তার আগে তাদের দিকে আরেকটি ছুড়ি ছুড়ে মারেন।
রুয়েনের মেয়র নিকোলাস মায়ার-রসিগনাওল বলেন, সিনাগগে হামলা শুধু ইহুদি সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করেনি,পুরো শহরকে হতবাক করেছে।
তিনি বলেন, শহরের ঐতিহাসিক কেন্দ্রে অবস্থিত সিনাগগের ভিতরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি ছাড়া আর কেই হতাহত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
আগুনে সিনাগগের ভিতরের দেয়াল এবং আসবাবপত্র কালো হয়ে গিয়েছে। অবশ্য তাওরাত ও পবিত্র বইগুলোর কোনও ক্ষতি হয়নি।







