আবারও বন্দি বিনিময় করেছে যুদ্ধরত দুই দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন। শনিবার (২৪ আগস্ট) উভয় পক্ষ থেকে ১১৫ করে মোট ২৩০ যুদ্ধবন্দিকে বিনিময় করেছে দেশ দুটি। এবারের বন্দি বিনিময়ে মধ্যস্থতা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
৬ আগস্ট রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের আকস্মিক হামলার পর এটিই প্রথম এই ধরনের বিনিময়ের ঘটনা। ওই হামলার মধ্য দিয়ে ইউক্রেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো রুশ ভূখণ্ডে বৃহত্তম হামলার রেকর্ড গড়লো।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, বিনিময় করা রুশ সেনাদের কুরস্ক অঞ্চলে বন্দি করা হয়েছিল।
মুক্তিপ্রাপ্ত সব রুশ সেনা এখন বেলারুশে রয়েছেন। রাশিয়ায় ফিরে আসার পর তাদের চিকিৎসা সেবা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে।
বন্দি বিনিময়ের পথ সুগম করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়টি।
এদিকে, বিনিময়ের মাধ্যমে ফিরে আসা সেনাদের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবিতে দেশটির সেনাদের নীল ও হলুদ পতাকা গায়ে জড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তিনি জানান, ফিরে আসা সেনারা সীমান্তরক্ষী, ন্যাশনাল গার্ড, নৌবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য।
ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেটের মতে, ফিরে আসা ইউক্রেনীয়দের মধ্যে ৮২ জন ২০২২ সালে মারিউপোল বন্দর রক্ষায় কাজ করেছিলেন।
বন্দি বিনিময়ে নিজেদের ভূমিকার কথা নিশ্চিত করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় এখন পর্যন্ত মোট এক হাজার ৭৮৮ সেনাকে মুক্ত করা হয়েছে।
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যস্থতায় এ ধরনের সপ্তম বিনিময়ের ঘটনা এটি।
এর আগে আমিরাতের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছিলেন, উপসাগরীয় রাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেন বন্দি বিনিময় করবে।







