রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাদের দখলে থাকা ভূমি পুনরুদ্ধারে পাল্টা আক্রমণের পরিকল্পনা করছেন। তবে এতে রুশ বাহিনীকে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর উপ-পরিচালক ডেভিড কোহেন। বুধবার (২৮ আগস্ট) তিনি এ মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা-বিষয়ক এক সম্মেলনে কোহেন বলেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত কুরস্ক অঞ্চলে আকস্মিক আক্রমণ চালিয়ে প্রায় ৭৭৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করেছে। এই অনুপ্রবেশের তাৎপর্য এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
ইউক্রেন কুরস্ক অঞ্চলে ১০০টি বসতি দখল করার দাবি করেছে। অন্যদিকে রুশ বাহিনী পূর্ব ডনেস্ক অঞ্চলে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে। তবে এই অর্জনগুলো রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে বড় কোনও পরিবর্তন আনতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন কোহেন।
কোহেন বলেন, কিয়েভের দাবি, তারা দখল করা অঞ্চল যুক্ত করার কোনও পরিকল্পনা করছে না। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে প্রতিরক্ষা রেখা গড়ে তুলছে এবং কিছু সময়ের জন্য ওই অঞ্চলের একটি অংশ ধরে রাখতে চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা নিশ্চিত যে, পুতিন সেই অঞ্চল পুনরুদ্ধারে পাল্টা আক্রমণ চালাবেন, তবে এটি রুশদের জন্য একটি কঠিন লড়াই হবে।
কোহেন আরও বলেন, পুতিনকে এখন শুধু রাশিয়ার ভূখণ্ডে একটি ফ্রন্টলাইন মোকাবিলা করতে হবে না, তাকে রাশিয়ার সমাজের অভ্যন্তরে এর প্রভাবও সামলাতে হবে। কারণ তারা রাশিয়ার একটি অংশ হারিয়েছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের অবসান শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে হতে পারে। তবে এর জন্য কিয়েভকে শক্তিশালী অবস্থানে থাকতে হবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার দুই সম্ভাব্য উত্তরসূরির কাছে একটি পরিকল্পনা পেশ করবেন।
পুতিন বলেছেন, যেকোনও চুক্তি শুরুর জন্য ইউক্রেনকে মাঠের বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। এর অর্থ হবে রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হবে ইউক্রেনকে।








