এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্মীদের ঘাটতি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লন্ডনের গ্যাটউইক এবং হিথ্রো বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিঘ্নিত হচ্ছে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে বাংলাদেশি যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ছুটি শেষে ফিরতে চাওয়া ও ওমরাহগামী যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার গ্যাটউইক থেকে যাত্রার জন্য নির্ধারিত ১১টি গমনকারী বিমান বাতিল করা হয়, যখন আরও ফ্লাইট গ্রাউন্ড করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে গ্যাটউইক থেকে নেপলস, মন্টপেলিয়ার, জার্সি ও এডিনবার্গের ফ্লাইটগুলোর সঙ্গে ইজিজেট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গ্যাটউইকের ওয়েবসাইট অনুসারে, আমস্টারডাম, গ্লাসগো, লাস ভেগাস, ইবিজা ও নিসের ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ফ্লাইটগুলোও বাতিল করা হয়।
এয়ারলাইনগুলো যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। ইজিজেটের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই নেতিবাচক প্রভাব কমানোর জন্য তারা সম্ভাব্য সব কিছু চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, গতকাল গ্যাটউইকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল স্টাফিং ঘাটতির প্রভাবের কারণে সোমবার সকালে গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে কিছু ফ্লাইট পরিচালনা করতে অক্ষম হয়েছে। এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।
মুখপাত্র আরও বলেন, আমরা বাতিল ফ্লাইটে যাত্রীদের রিবুক করার বা রিফান্ড পাওয়ার বিকল্পগুলোর বিষয়ে অবহিত করেছি এবং প্রয়োজনে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা ও খাবার সরবরাহ করছি।
রবিবার বিকালে ও সন্ধ্যায় ন্যাটস কর্মীদের ঘাটতির কারণে ৪৯টি উড্ডয়ন ও গ্যাটউইকে ৫১টি অবতরণ ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পর সোমবারও এই ধারা অব্যাহত ছিল। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বিভ্রাটে ১৬ হাজারের বেশি যাত্রী প্রভাবিত হয়েছে।
হিথ্রো বিমানবন্দরের একজন মুখপাত্র বলেছেন, হিথ্রো থেকে সাংহাই এবং এডিনবার্গ থেকে হিথ্রো যাওয়ার একটি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।
এয়ারলাইনটি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যান্য অংশে সাম্প্রতিক প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব এই বিঘ্নের জন্য আংশিকভাবে দায়ী। একজন বিএ মুখপাত্র সোমবার বলেছেন, অন্যান্য এয়ারলাইনগুলোর মতো, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিধিনিষেধের ফলে আমাদের সময়সূচীতে কিছু ছোটখাটো পরিবর্তন করতে হয়েছে।
গ্যাটউইকের একজন মুখপাত্র ব্যাঘাতের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ও বলেছেন, ন্যাটস সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সফলভাবে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সংখ্যা বাড়িয়েছে।









