রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনার যুক্ত হলে ইউক্রেনের ওপর মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারে কোনও নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের এই ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ন্যাটো নিশ্চিত করেছে যে, উত্তর কোরিয়ার সামরিক ইউনিট রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
রাশিয়ায় উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন পশ্চিমাদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা এর ফলে ইউক্রেন সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। যদিও বর্তমানে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি নিবদ্ধ।
পেন্টাগন ধারণা করছে, রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলে উত্তর কোরিয়ার প্রায় ১০ হাজার সেনা প্রশিক্ষণের জন্য মোতায়েন রয়েছে। এর আগে গত বুধবার এই সেনার সংখ্যা ৩ হাজার বলে ধারণা করা হয়েছিল।
পেন্টাগন মুখপাত্র সাব্রিনা সিং জানান, ইতোমধ্যে কিছু সেনা ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি কুরস্ক অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়েছে। আমরা উদ্বিগ্ন কারণ রাশিয়া এই সেনাদের ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘর্ষে ব্যবহার করতে পারে।
প্রাথমিকভাবে ক্রেমলিন উত্তর কোরিয়ার সেনা মোতায়েনের খবরকে ‘ভিত্তিহীন সংবাদ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করে জানান, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি বাস্তবায়নে এটি মস্কোর নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর সোমবার জানান, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার গভীরতর সামরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই বিষয়টিকে খুবই বিপজ্জনক হিসেবে অভিহিত করেছেন।









