পোকরোভস্কে অগ্রগতির দাবি রাশিয়ার, ইউক্রেনের প্রত্যাখ্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:১৭ আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:১৭

রাশিয়া দাবি করেছে, যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনীয় শহর পোকরোভস্কের উত্তরাংশে তাদের হামলাকারী ইউনিটগুলো অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সিভেরস্কের দক্ষিণে একটি গ্রাম দখল করেছে। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ দাবি করে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী বলেছে, গত এক দিনে পোকরোভস্ক ফ্রন্টে রাশিয়ার ৫৭টি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে এবং শহরের ভেতরে রুশ ইউনিটগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ডনেস্ক, দিনিপ্রোপেত্রভস্ক ও জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলে রাশিয়া ফ্রন্টলাইনে বিভিন্ন স্থানে চাপ বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন চলমান যুদ্ধের অবসানে সম্ভাব্য শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে। এমন সময় রাশিয়া রণক্ষেত্রে নিজেদের অগ্রগতি দাবি করলো।

রুশ সংবাদমাধ্যম পোকরোভস্ককে ডনেস্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। মস্কোর দাবি, শহরটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে ডনেস্ক অঞ্চলের ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত সবচেয়ে বড় দুই শহর ক্রামাতোরস্ক ও স্লোভিয়ানস্কের দিকে অগ্রসর হওয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।

রাশিয়ার প্রকাশিত মানচিত্রে দেখা গেছে, পোকরোভস্ক মস্কোর নিয়ন্ত্রণে এবং পাশের শহর মিরনোহরাদে ইউক্রেনীয় বাহিনী ঘেরাও অবস্থায় আছে। তবে ইউক্রেনীয় মানচিত্রে পোকরোভস্ককে ‘ধূসর অঞ্চল’ হিসেবে দেখানো হয়েছে, অর্থাৎ কোনও পক্ষই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি। মিরনোহরাদকেও পুরোপুরি ঘেরা অবস্থায় দেখায়নি কিয়েভ।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের দ্বিতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলো পোকরোভস্কের কেন্দ্রীয় ও উত্তরাংশে অগ্রসর হয়েছে এবং মিরনোহরাদের পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকেও এগিয়ে গেছে। পাশাপাশি সিভেরস্কের দক্ষিণ-পূর্বে ভাসিউকিভকা গ্রাম দখল করার কথাও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। ওই অঞ্চলে রুশ বাহিনী ‘পিন্সার মুভমেন্ট’ বা চেপে ধরা কৌশল চালানোর চেষ্টা করছে।

গত বছর রাশিয়া তাদের যুদ্ধকৌশল পরিবর্তন করে। শহরের দিকে সরাসরি হামলার বদলে তারা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘিরে ফেলার কৌশল গ্রহণ করে, যাতে হতাহত কমানো যায় এবং কিয়েভকে সেনা প্রত্যাহার করতে বা ঘেরাও হওয়ার ঝুঁকি নিতে বাধ্য করা যায়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, দক্ষিণ জাপোরিজ্জিয়া অঞ্চলের হুলিয়াইপোলের উত্তরে তাদের বাহিনী ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে।

/এএ/
সম্পর্কিত
শান্তিতে ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্ত্রীকে চেয়ারে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী
ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘চাম্পি’: অচল পুরো তাইওয়ান
তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৮, আহত বহু
সর্বশেষ খবর
এক জেলায় সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতাকর্মী
এক জেলায় সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতাকর্মী
শিল্পীর হাতে নয়, জলের কারুকাজে তৈরি চিলির অপূর্ব মার্বেল গুহা
শিল্পীর হাতে নয়, জলের কারুকাজে তৈরি চিলির অপূর্ব মার্বেল গুহা
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্যমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্যমন্ত্রী
কক্সবাজারে ঘুরতে এসে নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে, কখনও ভাবিনি
পর্যটনদের নিরাপত্তা কোথায়? কক্সবাজারে ঘুরতে এসে নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে, কখনও ভাবিনি
সর্বাধিক পঠিত
এবার ময়ূখের কণ্ঠে উল্টো সুর, প্রশংসায় ভাসালেন বাংলাদেশকে
এবার ময়ূখের কণ্ঠে উল্টো সুর, প্রশংসায় ভাসালেন বাংলাদেশকে
এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেলো
এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেলো
‘একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যকারী যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে
‘একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যকারী যুবকের বাবাও ডিবি হেফাজতে
থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০
থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০
নভেম্বরে টানা ৩ দিন ছুটি পাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
নভেম্বরে টানা ৩ দিন ছুটি পাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান