রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দুজন এবং ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় আরও দুই জন নিহত হয়েছেন। পাল্টাপাল্টি হামলায় মোট চার জন নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে সাময়িক বিরতির পর আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতভর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কিয়েভে হামলা চালায় রাশিয়া। এতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রাশিয়ার নিযুক্ত ক্রিমিয়ার গভর্নর সের্গেই আকসিওনভ জানিয়েছেন, উপ-দ্বীপটিতে ইউক্রেনের হামলায় দুই জন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ মস্কো ও কিয়েভ সফর করে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির চেষ্টা চালানোর পরপরই এই হামলা হলো। সপ্তাহান্তে দুই দেশ একে অপরের রাজধানীতে হামলা স্থগিত রেখেছিল। তবে মার্কিন দূতদের সফরে যুদ্ধ বন্ধে উল্লেখযোগ্য কোনও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা হামলাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিবিহা বলেন, কূটনীতিতে পুতিনের কথার চেয়ে তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রই বেশি জোরালোভাবে কথা বলছে। আবাসিক ভবনে একের পর এক হামলা চালিয়ে তিনি যুদ্ধ জয়ের কাছাকাছি যাচ্ছেন না; এটি অর্থহীন সন্ত্রাস ছাড়া কিছু নয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, হামলাটি ছিল জটিল এবং সর্বোচ্চ ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত বলে মনে হয়েছে। এতে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থমকে গেছে ইরানি শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়ার স্বপ্ন







