যুদ্ধ ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে শনিবার ইতালির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে কিছু সহিংস ঘটনাও ঘটেছে। এর এক সপ্তাহ আগে দেশজুড়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। কর্তৃপক্ষ ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করেছিল। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে সতর্কতা হিসেবে অনেক দোকান বন্ধ ছিল।
রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীরা কোনও দোকানে লুটপাট বা সম্পত্তি ভাঙচুর হতে দেখেননি। সামাজিক মাধ্যমে এ সপ্তাহে আরও বিক্ষোভের ডাক ছড়িয়ে পড়ার পর গত সপ্তাহান্তের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ এবং বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে।
শনিবার আগে ইতালীয় পুলিশ জানায়, গত সপ্তাহান্তের বিক্ষোভ, ১৭ অক্টোবর আন্দোলন সংগঠিত করার সঙ্গে যুক্ত একজনকে তারা আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে মিলানের পুলিশ সদর দফতরে নেওয়া হয়েছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি শনিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এই সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী এবং সাধারণ জনগণ উভয়ের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করতে চান, যারা কাজ করেন এবং যারা নিজ শহরে কোনও ভয় ছাড়াই বসবাস করতে চান তাদের সবার নিরাপত্তা প্রয়োজন। যারা কেবল সংঘাত ও সহিংসতা চায়, তাদের জন্য কোনও সুযোগ রাখা যাবে না।
সূত্র: রয়টার্স
বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা