২০২৪ সালের আগে বিশ্বের সবার কাছে টিকা পৌঁছানো যাবে না: সিরাম ইনস্টিটিউট

বিদেশ ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩৭আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৩:৫৮

করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবিত হলেও এখনই তা পাবেন না বিশ্ববাসী। বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদনকারী সংস্থা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের শীর্ষ কর্মকর্তা আদর পুনাওয়ালা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পুরো বিশ্বের জন্য পর্যাপ্ত করোনা টিকা তৈরি করতে ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ অপেক্ষা করতে হবে অন্তত চার বা পাঁচ বছর। সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন তিনি।

২০২৪ সালের আগে বিশ্বের সবার কাছে টিকা পৌঁছানো যাবে না: সিরাম ইনস্টিটিউট

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা-প্রতিষেধক কোভিশিল্ডের পাশাপাশি নোভাভ্যাক্সসহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে ইতোমধ্যে চুক্তি রয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউটের। রাশিয়ার তৈরি প্রতিষেধক ‘স্পুটনিক-ভি’ তৈরিতেও সিরামের নাম সামনে আসছে। তবে সেই চুক্তি এখন সম্পন্ন না হলেও ১ কোটি প্রতিষেধক তৈরির লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে তাদের। এরমধ্যে ৫০ শতাংশই ভারতের বাজারে ছাড়া হবে বলে আগেই জানিয়েছে সিরাম।

আদর পুনাওয়ালার দাবি, সারা বিশ্বের কোভিড রোগীর কাছে প্রতিষেধক পৌঁছে দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর। তারা উৎপাদন ক্ষমতা এত দ্রুতও বাড়়িয়ে তুলতে পারেনি, যাতে বিশ্বের সব কোভিড রোগীর কাছে প্রতিষেধক স্বল্প সময়ে পৌঁছে যেতে পারে। বিশ্বের সবার কাছে টিকা পৌঁছাতে অন্তত চার-পাঁচ বছর সময় লাগবে।
ব্যাখ্যা করে আদর পুনাওয়ালা জানান, হামের মতো কোভিড-১৯-এর সংক্রমণের হাত থেকে মুক্তি পেতে অন্তত দু’টি ডোজের প্রয়োজন হবে। সে ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের কোভিড রোগীদের জন্য অন্তত ১ হাজার ৫০০ কোটি ডোজ প্রতিষেধক প্রয়োজন। তবে সবার জন্য তা বোধহয় চলতি বছরের শেষে বা আগামী বছরের গোড়ায় পাওয়া সম্ভব নয়।

তবে কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্রনেতাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা যে অসম্ভব তা মনে করিয়ে দিয়েছেন আদর পুনাওয়ালা। তিনি মনে করেন, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সমান্তরালভাবে চলছে না ওষুধ প্রস্তুতকারীর সংস্থাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা। তিনি বলেন, আমি জানি, গোটা বিশ্বই প্রতিষেধক নিয়ে আশাবাদী। তবে এমন কোথাও তো এখনও শুনিনি যে কেউ এটি উৎপাদন করার মতো অবস্থার কাছাকাছিও আসতে পেরেছে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

/এএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী