ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদর পুনাওয়ালা বলেছেন, ভ্যাকসিন উৎপাদন একটি বিশেষায়িত প্রক্রিয়া। তাই রাতারাতি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। সোমবার তিনি একথা জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এখবর জানিয়েছে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারত বিধ্বস্ত। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে ১ মে থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও ভ্যাকসিন স্বল্পতায় কয়েকটি রাজ্য তা শুরু করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে সেরামের প্রধান বলেন, ভ্যাকসিন উৎপাদন হলো একটি বিশেষায়িত প্রক্রিয়া। ফলে, রাতারাতি ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়।
পুনাওয়ালা আরও জানান, ভারতের সব প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের ডোজ উৎপাদন করা খুব সহজ কাজ না।
তিনি জানান, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বৈজ্ঞানিক, তদারকী ও আর্থিকসহ সব ধরনের সহযোগিতা পাচ্ছে সেরাম ইন্সটিটিউট।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয় যে, কেন্দ্রীয় সরকার সেরামের কোনও ভ্যাকসিন কেনার নতুন কোনও অর্ডার দেয়নি। এই বিষয়ে পুনাওয়ালা জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ১১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য শতভাগ অর্থ অগ্রিম পরিশোধ করেছে সরকার।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ২৬ কোটি ডোজের অর্ডার পেয়েছি। এর মধ্যে ১৫ কোটির বেশি ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে।
সেরাম সিইও আরও বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ১১ কোটি ডোজ দ্বিতীয় চ্যানেলের মাধ্যমে রাজ্য ও বেসরকারি হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে।
তিনি দাবি করেন, সেরামের লক্ষ্য হলো যত দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন উৎপাদন করা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সব চেষ্টা করা হচ্ছে।









