সিমলা সংলাপ নিয়ে রাম মাধবের একান্ত সাক্ষাৎকার     

রঞ্জন বসু, দিল্লি প্রতিনিধি
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২২:১৭আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ২২:১৭

ভারতের হিমাচল প্রদেশের রাজধানী সিমলাতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের দশম রাউন্ড। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পিটারহফ হোটেলে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই আলোচনার শেষ দিন ছিল রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি)। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ ও ভারতের বহু এমপি, মন্ত্রী-আমলা, সম্পাদক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র নীতি ও থিংক ট্যাংকের বিশেষজ্ঞরা।  ২০১৪ সাল থেকে এই প্ল্যাটফর্ম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে আসছে।

এই সংলাপ প্রক্রিয়ার প্রাণপুরুষ বলা যেতে পারে ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে আরএসএসের প্রভাবশালী নেতা রাম মাধবকে। এই নেতা একেবারে প্রথম থেকে এই আলোচনার প্ল্যাটফর্মটি তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন। 

ভারতের দিকে প্রধান আয়োজক, ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালনা সমিতির সদস্যও তিনি। সংলাপের মাঝপথে শুক্রবার তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদকের। সেই সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো:    

বাংলা ট্রিবিউন: এই সংলাপ প্রক্রিয়াকে কি দুদেশের সরকারের সমান্তরালে একটি ‘ট্র্যাক-টু’ আলোচনা বলা যাবে? 

রাম মাধব: আমি কিন্তু ট্র্যাক-টু নয়, বরং ট্র্যাক ওয়ান পয়েন্ট টু ফাইভ (১.২৫)-ই বলব। এটা ট্র্যাক-টুর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দাবি করে, এর কারণ একেবারে প্রথম থেকেই এই আলোচনাতে উভয় সরকারের মন্ত্রীরা থাকছেন, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। থাকছেন দুদেশের এমপিরাও – সিমলাতেও যেমন দুপক্ষের অন্তত পনেরোজন পার্লামেন্টারিয়ান যোগ দিয়েছেন। 

বাংলা ট্রিবিউন: কিন্তু ঠিক কী অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এই ফ্রেন্ডশিপ ডায়ালগ? 

রাম মাধব: আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল আমাদের নেতারা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে যে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাকেই আরও ‘সাপ্লিমেন্ট’ করা বা তাতে আরও গতি সঞ্চার করা। সেক্টর ধরে ধরে বললে কানেক্টিভিটি, সিকিউরিটি ইন্টারেস্ট বা নিরাপত্তা স্বার্থ কিংবা আর্থসামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, এই ডায়ালগ সেগুলোতেই নজর দিচ্ছে। 

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশে গত বছর দুর্গাপুজোর সময় মণ্ডপ ভাঙচুর বা নির্যাতনের যে সব ঘটনা ঘটেছে ... 

রাম মাধব: (থামিয়ে দিয়ে) না সেগুলো কিন্তু এখানে আলোচনার বিষয় নয়। দুই দেশের যেগুলো অভ্যন্তরীণ ব্যাপার তা নিয়ে আমরা কথা বলি না। আর ওরকম ইস্যু শুধু বাংলাদেশে তো নয়, আমাদের দিকেও ঘটছে। বরং আমরা বলব, অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ঘটার পর শেখ হাসিনা সরকার ও মোদি সরকার যেভাবে সেগুলোকে সামলেছে বা ট্যাকল করেছে, সেটাকেই আমরা রেসপেক্ট করি!     

আরও পড়ুন: সিমলার সংলাপে যে সব বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের আলোচনা হলো

/এএ/
সম্পর্কিত
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও যেভাবে বিরোধীদলীয় নেতা হলেন ঋতব্রত
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম