‘মানহানি’র মামলায় সাজা স্থগিতের জন্য করা ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সুরাট দায়রা আদালত তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাজা স্থগিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এখন তার সামনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া উপায় নেই।
আদালতের এই রায়ের পর রাহুল গান্ধী আগামী বছর অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে সব আপিলের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা হবে না।
বৃহস্পতিবার সুরাট দায়রা আদালত নিম্ন আদালতের সাজা স্থগিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
২৩ মার্চ সুরাটের সিজেএম আদালত ‘মোদি উপাধি’ সম্পর্কে ২০১৯ সালে করা মন্তব্যের জেরে মানহানি মামলায় রাহুলকে ৫০৪ ধারার অধীনে দুই বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। তবে রায় কার্যকর করতে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দেয় আদালত। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় কর্ণাটকের কোলারে একটি সমাবেশে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, ‘সব চোরেদের পদবী কীভাবে মোদি হতে পারে?’
এ নিয়ে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক ও গুজরাটের সাবেক মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি।
নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সুরাট দায়রা আদালতে একটি আবেদন করেছিলেন। আবেদনে তিনি সাজা স্থগিত করার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার আদালত রাহুল গান্ধীর সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।
আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, আইনের আওতায় আমাদের কাছে এখনও সবিকল্প পথ খোলা আছে। আমরা সেগুলোর সদব্যবহার করার কথা বিবেচনা করছি।
তার আইনজীবী কিরিত পানওয়ালা বলেছেন, গুজরাট হাই কোর্টে তারা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করবেন।
আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সংসদ সদস্য পদ হারান রাহুল। সুপ্রিম কোর্টের এক নির্দেশে বরা হয়েছে, অপরাধে দোষী সাব্যস্ত কোনও ব্যক্তি দুই বা তার চেয়ে বেশি বছরের সাজাপ্রাপ্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।
সূত্র: বিবিসি









