সৌদি আরবে বসে কীভাবে মনোনয়ন? রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূলের এক প্রার্থী হজ করতে সৌদি আরবে থাকার পরও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। এটা কীভাবে সম্ভব? বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলায় সেই প্রশ্নই তুললো কলকাতা হাইকোর্ট।
মামলার শুনানি পর্বে বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান, ‘তাহলে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় স্বাক্ষর করলো কে?’ সেই সই আসল কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। বিচারপতি জানতে চান, ‘বাছাইয়ের সময় সই যাচাই হয়েছিল কি?’
শুক্রবার এ সব বিষয়ে আদালতে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট দেবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন। মিনাখাঁর ঘটনায় মামলাকারীর তরফে আইনজীবী শামীম আহমেদ ও সালোনি ভট্টাচার্য জানান, মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসক দলের প্রার্থী মোহারুদ্দিন গাজী হজে গিয়েছেন সৌদি আরবে। সেখানে থেকে তিনি কীভাবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
আদালতে হজ কমিটির রিপোর্ট তুলে ধরে আইনজীবীদের দাবি, ৪ জুন সৌদি আরবে যান মোহারুদ্দিন। আগামী ১৬ জুলাই তার ফেরার কথা। যদিও আদালতে রাজ্যের আইনজীবীর সওয়াল, ‘মোহারুদ্দিন গাজীর হয়ে তার প্রস্তাবক উমর ফারুক মোল্লা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেই সংস্থান আইনে আছে।’
এ প্রসঙ্গে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘একটা পরিস্থিতির কথা চিন্তা করুন, যেখানে যে প্রার্থীরা শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়েও মনোনয়ন জমা দিতে পারছেন না, আর যে ব্যক্তি বিদেশে আছেন তার মনোনয়ন গৃহীত হয়ে যাচ্ছে। এটা কীভাবে সম্ভব?’
মামলায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন দফতরকে পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।









