পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার বাংলাদেশ সীমানায় গিতালদহের জারিধরলা গ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় নতুন তথ্য তুলে ধরলেন ভারতে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। তার দাবি, এই তৃণমূলকর্মী বাংলাদেশি সন্ত্রাসী।
কোচবিহার জেলা বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোর রাতে বাবু হক নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। সেই বাবু হক বাংলাদেশি নাগরিক।
নিশীথের দাবি, বাবু হকের আসল নাম আব্দুল রহমান। তার বাড়ি বাংলাদেশের মোগলহাটের কর্ণপুর এলাকায়। সে একজন আন্তর্জাতিক অপরাধী। সেই ব্যক্তি আবার ভারতেরও নাগরিক। ভারতে তার আধার কার্ডও রয়েছে। সেখানে তার নাম বাবু হক ওরফে বাবু রহমান।
তিনি বলেন, ‘ওই মৃত ব্যক্তির বাবা এবং স্ত্রী বাংলাদেশের নাগরিক। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় বাংলাদেশের বিজিবি এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। সেই ব্যক্তিকে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের কর্মী হিসেবে দাবি করছে। বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে।’
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী ওই ব্যক্তির ভারতবর্ষের আধার কার্ড এবং বাংলাদেশের ভোটার কার্ডের ছবিও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘ভারতবর্ষের আধার কার্ডে তার নাম রয়েছে বাবু রহমান এবং বাংলাদেশের ভোটার কার্ডে তার নাম রয়েছে মো. আব্দুর রহমান।
কোচবিহার পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘প্রথমে পুলিশ সুপার বয়ান দেন বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসীরা এসে এই হামলা চালিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বলেন বিজেপি হামলা চালিয়েছে।’
এ ঘটনায় দিনহাটার বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, ‘আমার বাবার নাম যদি কমল গুহ হয়, তাহলে সেই আর আমি কি এক হলাম? বিষয়টির তদন্ত করা উচিত।’









