পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় একটি যৌন পল্লি থেকে এক বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত নারীর বাংলাদেশির স্বামী অভিযোগ, জোরপূর্বক বাংলাদেশে থেকে তার স্ত্রীকে সীমান্ত পার করে পশ্চিমবঙ্গে এনে যৌন ব্যবসায় নামানো হয়েছে। তবে ওই নারী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, স্বামী তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করতেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এক নারী দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। পৃথক ঘটনায় বাংলাদেশি সন্দেহে অপর এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গেছে, কয়েক দিন আগে কুলটি থানায় এক বাংলাদেশি ব্যক্তি আসেন। তিনি তার পাসপোর্টসহ অন্যান্য নথি পুলিশকে দেখিয়ে বলেন, আমি বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা। আমার স্ত্রীকে জোর করে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পার করে ভারতে এনে এই কুলটি থানা এলাকায় যৌন পল্লিতে রেখে যৌন ব্যবসায় নামানো হয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কুলটি থানার পুলিশ লছিপুর যৌন পল্লিতে হানা দিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। গ্রেফতার করা হয় এক নারী দালালকে। ওই দালাল বাংলাদেশি নয় বলে জানা গেছে।
উদ্ধার হওয়া নারী তার স্বামীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি পুলিশকে বলেছেন, স্বামী তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করতেন।
শনিবার দুজনকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের আরপিএফের জওয়ানরা শিয়ালদহ-দিল্লি রুটের রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় ভ্রমণ করা এক নারীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী প্রথমে নিজেকে উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁর বাসিন্দা বলে দাবি করেন। তবে তিনি কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি। আরপিএফের জওয়ানদের অনুমান হয়, ওই নারী বাংলাদেশি। নিজের পরিচয় ও ঠিকানা গোপন করে তিনি দিল্লি যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
পরে ওই নারীকে আসানসোল রেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন নাকচ করে জেল হাজতের নির্দেশ দেন। ওই নারী সঙ্গে একটি দামি ট্রলিব্যাগ ছিল। পাশাপাশি তার পোশাকও ছিল বেশ আধুনিক।
আসানসোল কারাগার সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে কারাগারে চারজন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া জেলে আছেন এক রোহিঙ্গাও।









