ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতাদের জন্য জমকালো নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নৈশভোজের মেনুতে ছিল ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় খাবারের ঐতিহ্য। আঞ্চলিক স্বাদ, ঐতিহ্যবাহী রেসিপি ও আধুনিক পরিবেশনার সমন্বয়ে সাজানো হয়েছিল খাবারের তালিকা।
হিমালয় থেকে দক্ষিণ ভারত, গুজরাটি পদ থেকে পুরনো দিল্লির জনপ্রিয় মিষ্টি- নৈশভোজের মেনুতে ছিল দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার। এর মাধ্যমে সম্মেলনকক্ষের বাইরেও বিশ্বনেতাদের ভারতের খাবার ও পুরোনো ঐতিহ্যের স্বাদ দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
শুরুতে ছিল খাণ্ডভি মিল, ফুই, সরিষা, নারকেল ও কারিপাতা দিয়ে সাজানো বেসনের রোল; সঙ্গে কেশর আম, মাইক্রোগ্রিনস ও দইয়ের ড্রেসিং। আরও ছিল খুম্ব গালৌটি-পুদিনার পার্লসসহ শিরমাল রুটির ওপর পরিবেশিত নরম প্যানে গ্রিল করা মাশরুম কাবাব।
মূল খাবারে ছিল পনির লাবাবদার, শ্যালট ও টমেটোর সমৃদ্ধ গ্রেভিতে রান্না করা নরম পনির। গুচ্ছি মার্মিক পদে ছিল হিমালয়ের মোরেল মাশরুম ও অ্যাসপারাগাস, জাফরান, কিশমিশ ও মামরা বাদাম দিয়ে রান্না করা খাবার।
এ ছাড়া ছিল দক্ষিণ ভারতীয় মসলা ও হাতে তৈরি ভার্জিন নারকেল তেলে ভাজা গাজর ও শিমের ক্যারট বিন পোরিয়াল, টমেটো ও কারিপাতায় সমৃদ্ধ হালকা ডালের ঝোল থাক্কালি বেলে সারু, মসলা ও মৌসুমি সুগন্ধি উপকরণে রান্না করা বাসমতী চাল ও বাজরার মিলেট পোলাও এবং বিটরুট ও তাজা হার্বস দিয়ে তৈরি ঠান্ডা দইয়ের পদ বিটরুট রায়তা।
ডিজার্ট বা মিষ্টান্নে ছিল ওল্ড দিল্লি ফ্রুট ক্রিম উইথ জিলাপি, মৌসুমি ফল ও হালকা ফেটানো ক্রিমের সঙ্গে খাস্তা জিলাপি। আর ছিল শাহতুত ফিরনি, দুধ ও চাল দিয়ে ধীরে রান্না করা পুডিং, যার ওপরে ছিল মিষ্টি তুঁত ফল ও সোনার পাত।
সূত্র: উইয়ন নিউজ

বৈঠক করেও মোদির নৈশভোজে গেলেন না শি জিনপিং






