ডিজিটাল ম্যাপিং ব্যবহার করে পুনরায় দ্বীপ গণনা করলো জাপান। এই গণনায় আরও সাত হাজার নতুন দ্বীপ আবিষ্কার করলো দেশটি, যা পূর্বের দ্বীপ সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
স্বভাবতই এ কথা শুনে যে কারও মনে হবে যে জাপান আরও বড় হয়ে গেলো! তবে মজার বিষয় হলো, নতুন আবিষ্কৃত দ্বীপগুলো জাপানের সীমানার মধ্যেই, এতে দেশটির সীমানা সম্প্রসারণের কোনও সম্ভাবনা নেই। জাপানি বার্তা সংস্থা কিয়োডোর বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
আগ্নেয়গিরির প্রকোপ এবং বৈরী আবহাওয়ার দেশটিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সব দ্বীপ গণনা করা মোটেই সহজ কোনও বিষয় নয়। তার ওপর একদিকে একটি দ্বীপ সৃষ্টি হতে না হতেই অন্যদিকে আরেকটি দ্বীপ ডুবে যাওয়ার ঘটনাও জাপানের জন্য নতুন কোনও বিষয় নয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশটির প্রায় ৬ হাজার দ্বীপের অবস্থান সঠিক নয়।
ডিজিটাল ম্যাপিং ব্যবহার করে ৩৫ বছরের প্রথম জরীপে জাপানের ভূ-স্থানীক তথ্য কর্তৃপক্ষ সব মিলিয়ে ১৪ হাজার ১২৫টি দ্বীপের সন্ধান পায়। আগে মাত্র ৭ হাজার ২৭৩ টি দ্বীপের কথা জানত কর্তৃপক্ষ।
সমালোচনার মুখে পড়েই নতুন করে এই জরিপের উদ্যোগ নেয় জাপান সরকার। ২০২১ সালে জাপানের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য সংসদে বলেছিলেন, ‘জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনেই দ্বীপের সঠিক সংখ্যা জানা জরুরি’।
অনেকগুলো ছোট ছোট দ্বীপের সমন্বয়ে জাপানের প্রায় ৪৭টি বড় দ্বীপ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রধান ৪ টি হলো হোক্কাইডো, হোনসু, শিকোকু এবং কিয়োশু। নতুন জরিপ অনুযায়ী শুধু হোক্কাইডোতেই দ্বীপ আছে ১ হাজার ৪৭৩টি।









