তুর্কি সরকার আরও ছয় সহস্রাধিক মানুষকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করেছে। সেই সঙ্গে গত বছর জুলাইয়ে ব্যর্থ ক্যু প্রচেষ্টার পর থেকে চলে আসা জরুরি অবস্থায় বেশ কয়েকটি সংগঠনকেও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার এক সরকারি ঘোষণায় দুই হাজার ছয়শ’ ৮৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের এক হাজার ছয়শ’ ৯৯ জন কর্মকর্তাকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদুলো জানিয়েছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন কাউন্সিল অব স্টেট-এর আট সদস্য, সুপ্রিম ইলেকটোরাল কাউন্সিলের এক সদস্য।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে আরও রয়েছেন ৮৩৮ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ৬৩১ জন শিক্ষক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কয়েকশ’ কর্মকর্তা।
প্রেসিডেন্টের আদেশে ৮০টিরও বেশি সংগঠনকে ‘নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ উল্লেখ করে সেগুলোকে বন্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথম জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। পরে গত বছর ৪ অক্টোবর ও চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দেশটির পার্লামেন্ট দুই দফা জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ায়।
ওই ব্যর্থ ক্যু প্রচেষ্টার জন্য প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ইসলামি চিন্তাবিদ ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করে আসছে তুরস্ক। তবে গুলেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গতবছর জুলাই থেকে ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক ও গ্রেফতার করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ। সেনা সদস্য, পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষক, বিচারক, সাংবাদিকসহ এক লাখেরও বেশি মানুষকে বহিষ্কার ও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সবাই ফেতুল্লাহ গুলেনের অনুসারী।
সূত্র: আল-জাজিরা।
/এসএ/








