সীমান্ত অতিক্রম করে সিরীয় ভূখণ্ডে চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলায় সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অর্ধেক ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। রাশিয়া সমর্থিত সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াও দেশটিতে থাকা ইরানি স্থাপনাও ধ্বংস করেছে তারা। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে।
সিরিয়ায় বিমান হামলার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ধারণার বরাত দিয়ে হারেৎজ জানায়, আসাদ সরকারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ধ্বংস করেছে ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার বিমান হামলা শুরুর সময় এর ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত ছিল বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের এক সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা। শনিবার একটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করতে সক্ষম হয় আসাদবাহিনী।
গত এক দশকের মধ্যে শনিবারের হামলাটি ছিল সিরিয়ায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় হামলা। ১৯৮২ সালের লেবাননের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর এই প্রথম ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলো।
ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা বলেন, এরপরও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে গেছে এবং ইরানি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রসহ চারটি স্থাপনা ধ্বসং করেছে।
হারেৎজ জানায়, ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার ‘মান্তলেম’ ব্যবহারের কথা ভাবছে ইসরায়েল। এতে করে আকাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিমানকে চিহ্নিত করতে পারে না। এভাবেই সম্প্রতি অনেক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইসরায়েলি বিমানগুলোকে কেউ আঘাত করতে পারেনি।
সিরীয় ভূখণ্ডে সবচেয়ে বড় বিমান হামলাকে সিরিয়া ও ইরানের বড় ধরনের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এটাই ছিল দেশটির অভ্যন্তরে ইসরায়েলের প্রথম প্রকাশ্য অভিযান। ইসরায়েল দাবি করেছে, সীমান্তের অভ্যন্তরে দেশটি আটটি সিরীয় ও চারটি ইরানি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। দামেস্ক সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল হামলায় নিহতদের মধ্যে সিরীয় সেনা রয়েছে।








