কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মেদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি বলেছেন, কাতারের ওপর অবরোধ আরোপকারী দেশগুলোর বিপক্ষে এবং ভুক্তভোগী দেশের পক্ষে ইউএনএইচসিআরের ভূমিকা গ্রহণ করা উচিত। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে সৌদিসহ অবরোধ আরোপকারী দেশগুলোর সদস্যপদ থাকার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। গত বছরের জুন মাস থেকে প্রতিবেশী সৌদি আরবের নেতৃত্বে জিসিসির কয়েকটি দেশের আরোপ করা অবরোধে ভুগছে কাতার। আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে আল থানির বক্তব্য।
গত সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার ও উদ্বাস্তুবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করে আল থানি বলেছেন, ‘কাতারের জনগণের বিরুদ্ধে কয়েকটি দেশের চাপিয়ে দেওয়া অবরোধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নেওয়ার জন্য আমি মানবাধিকার কাউন্সিলকে আহ্বান জানাচ্ছি। সংস্থাটির উচিত তাদের দায়িত্ব পালন করা এবং এমন বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।’
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ইউএনএইচসিআরের ৩৭ তম সাধারণ সভায় কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী দেশকে ক্ষতিপূরণ ও দোষী দেশগুলোকে শাস্তি দিতে হবে।’ ২০১৭ সালে আরোপ করা ওই অবরোধের ওপর দেওয়া এক প্রতিবেদনে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছিল, অবরোধের কারণে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আল থানি বলেছেন, যেসব দেশ অবরোধ আরোপ করে মানবাধিকারের লঙ্ঘন করেছে তাদের ইউএনএইচসিআরের সদস্য হিসেবে মানায় না। ‘ওই সব দেশের সদস্যপদ ইউএনএইচসিআরের সম্মানহানি ঘটাবে।’
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে কাতারের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসর। তাদের অভিযোগ, কাতার সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার খেলায় ইরানকে সমর্থন করছে।








