মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে ইসরায়েল রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই তথ্য জানিয়েছেন ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাউল মোফাজ। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এখবর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার এইচ. আর ম্যাকমাস্টারকে সরিয়ে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে বোল্টনকে নিয়োগ দেন ট্রাম্প। বিগত বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে তেহরানকে দায়ী করে এসেছেন বোল্টন। নিজের অনেক বিবৃতিতেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তিনি। আর ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে একই মত পোষণ করেন তিনি। ২০১৬ সালে বোল্টন বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তিটি আমার বিবেচনায় আমেরিকার সবচেয়ে বাজে জনতুষ্টির উদাহরণ।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এর প্রধান হিসেবে দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় দায়িত্ব পালন করেছেন মোফাজ। ২০০২ সালে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব থেকে অবসরের পর তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারন। ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমলে জাতিসংঘে মার্কিন দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বোল্টন।
ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত থাকার সময় থেকেই আমি জন বোল্টনকে চিনি। ইরানে হামলা চালানোর জন্য তিনি আমাকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন।
চারজন সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধানের এক প্যানেলে আলোচনায় মোফাজ জানান, তিনি এটাকে খারাপ চিন্তা হিসেবে ভেবেছিলেন। বলেন, আমার মনে হয়নি এটা কোনও ভালো সিদ্ধান্ত। শুধু আমেরিকার জন্য নয়, যে কারও জন্যই। হুমকি বাস্তব হওয়ার আগ পর্যন্ত হামলার সিদ্ধান্ত ঠিক হবে না মনে করেছি।
মোফাজ ও সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান বেনি গাৎজ ইরানের পারমাণবিক চুক্তি বাতিলের বিরোধিতার কথা জানিয়েছেন।








