যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী পদক্ষেপ প্রতিহত করতে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে তেহরান। ইরানবিরোধী জন বোল্টনকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর এই ঘোষণা দিলো তেহরান। ধারণা করা হচ্ছে, বোল্টনের নিয়োগের পর ওয়াশিংটনের ইরান বিদ্বেষী নীতি আরও কঠোর হবে।
ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন বোরুজেরদি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে উগ্র ব্যক্তিদের ব্যবহার প্রমাণ করে ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে আরও বেশি চাপ প্রয়োগ করতে চায়।
বোরুজেরদি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ইসরায়েল ও সৌদি আরবকে খুশি করতে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর আচরণ করছে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, এ অবস্থায় আমাদেরকে চীন ও রাশিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে হবে। এসব দেশও যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতা ও নিষেধাজ্ঞার শিকার।
ইরানের এই সিনিয়র সংসদ সদস্য বলেন, চীন ও রাশিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। কাজেই এসব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করলে মার্কিন চাপের প্রভাব কমিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে থাকা সম্ভব হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে এইচ. আর. ম্যাকমাস্টারকে সরিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন বোল্টনকে তার স্থলাভিষিক্ত করেন। বিগত বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে তেহরানকে দায়ী করে এসেছেন বোল্টন। নিজের অনেক বিবৃতিতেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তিনি। আর ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে একই মত পোষণ করেন তিনি। ২০১৬ সালে বোল্টন বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তিটি আমার বিবেচনায় আমেরিকার সবচেয়ে বাজে জনতুষ্টির উদাহরণ। সূত্র: পার্স টুডে








